• বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

ফের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বগুড়ায়

নিজস্ব প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিনিধি / ৮৭
মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৪
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন : ০১৯১১৬৫২৫৭০ (হোয়াটসঅ্যাপ)

বগুড়ার ইতিহাসে ২য় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে জেলায় সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল বগুড়ায় ৪০ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং ১৯৮৯ সালে ৪৪ ডিগ্রি তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক আব্দুর রশিদ।

তিনি জানান, বগুড়ায় মঙ্গলবার ৪১ দশমিক ০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা বগুড়ার ইতিহাসে ২য় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮৯ সালে ২১ এপ্রিল বগুড়ায় ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছিল। এ ছাড়াও ২৬ এপ্রিল ছিল ৪০ দশমিক ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা।

তিনি আরও জানান, এ তীব্র গরম চলমান থাকবে। এজন্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুব কম।

এই অসহনীয় গরমে রিকশাচালক ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীসহ সবরকম দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষের অবস্থা প্রায় একই রকম।

নির্মাণ শ্রমিক আইয়ুব আলী বলেন, তীব্র দাবদাহে নিয়মিত কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। টানা তিন-চার দিন কাজ করলে আবার এক থেকে দুই দিন বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। আমাদের তো দিন এনে দিন খাওয়া। দাবদাহে অসুস্থ হয়ে দুইদিন বাড়িতে পরে ছিলাম। ওই দুই দিনের বাজার দোকান থেকে বাকিতে করতে হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পরলে ঠান্ডা কিছু কিনে খাবার সামর্থ্য আমাদের নেই। মাঝেমাঝে আশপাশের ছায়াতে গিয়ে একটু শরীর জুড়ায়ে নেই।

সাবগ্রাম এলাকায় স’মিলে কর্মরত শ্রমিক সিদ্দিক আলী বলেন, প্রতিদিন যেমন কাজ করি তেমন টাকা পাই। অতিরিক্ত গরমের জন্য বেশি বেশি কাঠ কাটা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য আয় কমে গেছে। আগে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা আয় করতাম। এখন দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা রোজগার করতে পারছি। এই টাকা দিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে। ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার খরচ মিটিয়ে কোনোরকমে টিকে আছি। তবে আবহাওয়া এ রকম গরম থাকলে আয়ের দিক দিয়েই বলেন আর শরীরের দিক দিয়ে টিকে থাকা দায় হয়ে দাঁড়াবে।

বগুড়ার সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল বলেন, এ তীব্র গরমে শরীর থেকে অতিমাত্রায় পানি বের হয়ে যায়, একপর্যায়ে পানিশূন্যতা দেখা দেয় এবং হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। তাই শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে বেশি পরিমাণ পানি ও ওরস্যালাইন খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।


আরও সংবাদ

জরুরি হটলাইন